১৭ ওভারেই ভারতের রান ২০৫, রেকর্ড কি ভাঙবে
ভারত: ১৭ ওভারে ২০৫/৪
টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে এক ইনিংসে কোনো দলের সর্বোচ্চ রান ২৬০। সেই রেকর্ড কি ভারত ভেঙে ফেলবে? হতেও পারে!
দুবে ও পান্ডিয়া সেই মিশনেই আছেন বোধহয়!
ভারত: ১৬ ওভারে ১৯০/৪
৬ বলে ১১ রান করে আউট সূর্যকুমার। আদিল রশিদের বলে স্টাম্পড হয়েছেন ভারতীয় অধিনায়ক। উইকেটে হার্দিক পান্ডিয়া।
ভারত: ১৩.১ ওভারে ১৬০/৩
সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন। তবে জ্যাকসের বলে সল্টের হাতে ক্যাচ দিয়ে ৪২ বলে ৮৯ রান করে ফিরেছেন এই ওপেনার।
১৫ রানে স্যামসনের সহজ ক্যাচ ছেড়েছিলেন ব্রুক। এরপর ৩৫ বলে ৭৩ রান যোগ করেছেন স্যামসন।
ভারত: ১২ ওভারে ১৪৫/২
রশিদের ওভার থেকেও এসেছে ১৫। ঈশান কিষানের বিদায়ের পর নামা দুবেও বেধড়ক পিটুনি দিচ্ছেন। ৯ বলে ১৭ রানে অপরাজিত দুবে। ৩৮ বলে ৭৬ রানে স্যামসন। কত রান করবে ভারত?
ভারত: ১০ ওভারে ১১৯/২
দ্বিতীয় ওভারে এসে উইকেট দিলেন আদিল রশিদ। ৩৯ রান করে লং অফে জ্যাকসের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন ঈশান কিষান। ভাঙল ৯৭ রানের জুটি।
৬৬ রানে অপরাজিত স্যামসন।
নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে এসেছেন শিবম দুবে।
ভারত: ৯ ওভারে ১১২/১
ছক্কা মেরে ফিফটি পূর্ণ করলেন স্যামসন। মাত্র ২৬ বলে টানা দ্বিতীয় ফিফটি পেলেন তিনি।
লিয়াম ডসন প্রথম ওভার করতে এসে খরচ করেছেন ১৯ রান। বেধড়ক পিটুনিতে ঈশান কিষানও স্যামসনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। ১৬ বলে ৩৫ রান করে অপরাজিত কিষান। এই জুটি থেকে এসেছে অবিচ্ছিন্ন ৪১ বলে ৯১ রান।
ভারত: ৬ ওভারে ৬৭/১
একা স্যামসনই পাওয়ার প্লেতে ভারতকে জিতিয়ে দিল। ২০ বলে ৪১ রানে অপরাজিত আছেন এই ব্যাটসম্যান। ১৫ রানে জীবন পেয়েছিলেন স্যামসন।
নতুন বলে ইংল্যান্ডের ভরসা আর্চার ২ ওভারে রান দিয়েছেন ২৬।
ভারত: ৩ ওভারে ৩৪/১
০, ০ ,০ , ১৫, ৫৫, ১০ এরপর আজ অভিষেক ফিরেছেন ৯ রানে। উইল জ্যাকসের বলে মিডউইকেটে ক্যাচ তুলে দিয়েছেন ভারতীয় ওপেনার।
পরের ওভারে জফরা আর্চারের বলে জীবন পেয়েছেন সঞ্জু স্যামসন। মিড অনে খুবই সহজ ক্যাচ ফেলে দিয়েছেন হ্যারি ব্রুক। ১১ বলে ২৫ রানে অপরাজিত স্যামসন।
টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক। ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব জানিয়েছেন, তিনি টসে জিতলে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্তই নিতেন।
ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম সেমিফাইনালের জন্য প্রস্তুত। ভারত ও ইংল্যান্ড তাদের সেরা দুই পেসারকে কীভাবে ব্যবহার করে, তা গড়ে দিতে পারে ম্যাচের ভাগ্য। একদিকে আছেন জফরা আর্চার, অন্যদিকে যশপ্রীত বুমরা।
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত ৭ ইনিংসে ১০ উইকেট নিয়েছেন আর্চার। পাওয়ার প্লেতে ম্যাচপ্রতি গড়ে তাঁকে দিয়ে প্রায় তিন ওভার করে বোলিং করিয়েছে ইংল্যান্ড। এই ৭ ম্যাচের মধ্যে পাঁচ ম্যাচেই পাওয়ারপ্লেতে উইকেট নিয়েছেন আর্চার। এবার টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রতিপক্ষের ইনিংসে প্রথম ৬ ওভারের মধ্যে আর্চারই সবচেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছেন।
বুমরার ভূমিকা একটু আলাদা। ভারত যখনই বিপদ বুঝেছে, তখনই তাঁকে আক্রমণে এনে উইকেট নেওয়ার চেষ্টা করেছে। পাওয়ারপ্লেতে গড়ে এক ওভারের সামান্য বেশি বোলিং করেছেন বুমরা। তবে এবার টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ম্যাচে পাওয়ারপ্লেতে একটি ওভারও বোলিং করেননি বুমরা।
ভারতের এই ফাস্ট বোলারের ভূমিকা মূলত দুরকম—আক্রমণ ও রক্ষণ। বিপদের সময় উইকেট এনে দেওয়ার পাশাপাশি রানের চাকা আটকানো। ব্লক হোলে বল ফেলতে পারেন ধারাবাহিকভাবে। শট খেলতে জায়গা দেন না। এবার বিশ্বকাপে ১২ ওভারের বেশি বল করা বোলারদের মধ্যে কেবল ম্যাথু ফোর্ডের ইকোনমি রেটই বুমরার (৬.৩০) চেয়ে ভালো।
মুম্বাইয়ে টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড। ম্যাচ শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায়। এর আধা ঘণ্টা আগে হবে টস।