চট্টগ্রাম–ঢাকা: সাইফের ফিফটি, ১১৫ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারাল ঢাকা
সাইফ হাসানের সঙ্গে ৯০ রানের জুটি গড়ার পর ফিরলেন জুবাইদ আকবরি। ৩০ বলে ২৯ রান করে তানভীর ইসলামের দ্বিতীয় শিকার হয়েছেন আফগান ওপেনার।
ঢাকা ক্যাপিটালস: ১০ ওভারে ৯৪/১
গত ৫ অক্টোবরে শারজায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে অপরাজিত ৬৪ রান করার পর কী যেন হয়েছিল সাইফ হাসানের। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যান এরপর স্বীকৃত টি–টোয়েন্টিতে ১৪ ইনিংসে সর্বোচ্চ ২৩ রান করতে পেরেছিলেন একবার। সেই সাইফ অবশেষে নিজেকে চেনালেন বিপিএলের লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে। ঢাকা ক্যাপিটালসের হয়ে চট্টগ্রাম রয়্যালসের বিপক্ষে দারুণ ব্যাটিং করছেন সাইফ। ইনিংসের অষ্টম ওভার পর্যন্ত ২২ বলে ৪১ রান করেছেন, মেরেছেন ৪টি চার ও ৩টি ছক্কা।
১০ম ওভারের তৃতীয় বলে ফ্রি হিটে বিশাল এক ছক্কা মেরে ফিফটি পেয়ে গেছেন সাইফ।
পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ১ উইকেট ৫৩ রান তুলেছে ঢাকা ক্যাপিটালস। সাইফ হাসান ১৫ বলে ২৬ ও আফগান ব্যাটসম্যান জুবাইদ আকবরি ৬ রানে ব্যাট করছিলেন।
ঢাকা ক্যাপিটালস: ৩ ওভারে ২৫/১
তৃতীয় ওভারে বোলিংয়ে এসে তৃতীয় বলে উইকেট পেয়েছেন তানভীর ইসলাম। চট্টগ্রামের এই বাঁহাতি স্পিনার ফিরিয়েছেন উসমান খানকে। আগের ওভারে ৩ বলে ১২ রান তোলে উসমান সীমানায় ক্যাচ হয়েছেন আমের জামালের। আউট হওয়ার আগের বলে ৪ মেরেছিলেন পাকিস্তানি ব্যাটসম্যান। ৬ বলে ১৬ রান করা উসমান বিদায় নিলেন দলকে ২৫ রানে রেখে। এরপর উইকেটে এসেছেন সাইফ হাসান।
ঢাকা ক্যাপিটালস: ২ ওভারে ২০/০
আগের ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে ৪ ওভারে ১৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন শরীফুল ইসলাম। চট্টগ্রাম রয়্যালসের পেসার আজ ঢাকার বিপক্ষেও দারুণ শুরু করেছেন, প্রথম ওভারে দিয়েছেন মাত্র ১ রান।
আরেক পেসার মুকিদুল ইসলামের পরের ওভারে অবশ্য পুষিয়ে নিয়েছে ঢাকা। উসমান খান ও জুবাইদ আকবরিরা দ্বিতীয় ওভারে তুলেছেন ১৯ রান।
ঢাকা ক্যাপিটালসের বিদায় নিশ্চিত হয়েছে আগেই। চট্টগ্রামও উঠে গেছে প্লে–অফে। তবু ২০২৬ বিপিএলের লিগ পর্বের শেষ ম্যাচটি শুধুই আনুষ্ঠানিকতার নয়। এই ম্যাচটি চট্টগ্রামের সরাসরি প্রথম কোয়ালিফায়ারে খেলা নিশ্চিত করার। আর সেটি করতে বড় ব্যবধানে না হারলেই চলবে মেহেদী হাসানের দলের। এমন ম্যাচে টসে জিতে ফিল্ডিং নিয়েছে দলটি।
চট্টগ্রামে এলিমিনেটরে ঠেলে রংপুর রাইডার্সকে কোয়ালিফায়ারে ওঠাতে ৯০ বা এর চেয়ে বড় ব্যবধানে জিততে হবে ঢাকাকে।