এক বছরে রেকর্ড ৭৭৬৬ ছক্কা, সবচেয়ে বেশি কোন দলের, সবচেয়ে বেশি মেরেছেন কে
রেকর্ড মানেই ভাঙা-গড়ার খেলা। টি-টোয়েন্টির এই যুগে সেই খেলাটা বেশিই হচ্ছে। ছক্কার রেকর্ডের কথাই ধরা যাক। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ইতিহাসের প্রথমবার ছক্কার সংখ্যা পাঁচ হাজার পেরিয়েছিল ২০২২ সালে। টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে বছরটা শেষ হয়েছিল ৬৩৮৫ ছক্কা নিয়ে।
সেই রেকর্ড ভেঙে যায় ২০২৩ সালেই। এবার ৬৬০০ ছক্কায় বছর শেষ হয়। এক বছর যেতে না যেতেই সেই রেকর্ড চুরমার। ২০২৪ সালে আগের বছরের চেয়ে ১০৪৩টি ছক্কা বেশি হলো। তাতে অবশ্য ম্যাচের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার বড় অবদান ছিল। ২০২৩ সালে যেখানে ৬৯৫টি ম্যাচ হয়েছিল, ২০২৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৮১১।
ওই রেকর্ডও টিকল না পুরো এক বছর। ২০২৫ সালটাই এখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে ছক্কা-প্রসবা বছর। এ বছর ৭৭৬৬টি ছক্কা দেখেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট, সেটিও ৭৩৬ ম্যাচে। গতবার ছক্কা হয়েছিল ৭৬৪৩টি।
এবার ম্যাচপ্রতি ১০.৬টি ছক্কা হয়েছে। রেকর্ড এটিও। ইতিহাসে এই প্রথম ম্যাচপ্রতি ছক্কার সংখ্যা ১০ ছাড়াল।
২০২৫ সালে সবচেয়ে বেশি ছক্কা দেখেছে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে। ৬১০৬টি ছক্কা হয়েছে ৫৭৯ ম্যাচে। রেকর্ড এটাও। আগের রেকর্ড ২০২৪ সালে—৫৯৯৮টি। ২০২৫ সালে ওয়ানডে ছক্কা হয়েছে ১২০৯টি। টেস্টে ছক্কা ৪৫১টি, যা ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। সর্বোচ্চ ৬৫১টি ছক্কা দেখেছিল ২০২৪ সাল।
২০২৫ সালে সবচেয়ে বেশি ছক্কা মেরেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ব্যাটসম্যানরা। ৪৮ ম্যাচে ৩৭১টি ছক্কা মেরেছে দলটি। ৩৩৫ ছক্কায় এরপরই পাকিস্তান। নিজেদের রেকর্ড ২৯৮ ছক্কায় বাংলাদেশ আছে ছয়ে।
২০২৫ সালে সবচেয়ে বেশি ছক্কা হয়েছে পাকিস্তানের বিপক্ষে। ৩৮০টি ছক্কা খেয়েছেন পাকিস্তানি বোলাররা। এই তালিকায় বাংলাদেশ আছে পাঁচে—২৭৭টি।
ছক্কার ব্যক্তিগত হিসাবে সবার ওপরে করণবীর সিংয়ের নাম। অস্ট্রিয়ান ব্যাটসম্যান ১২২টি ছক্কা মেরেছেন এ বছর। যা এক পঞ্জিকাবর্ষে সবচেয়ে বেশি ছক্কার রেকর্ড। করণবীর সব কটি ছক্কাই মেরেছেন আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে।