জীবনযাপন

একটু বিশ্রাম নিতে ইচ্ছা করলেই যেখানে ছুটে যান সুনেরাহ্

August 8, 2026
2 months ago
By SAJ
একটু বিশ্রাম নিতে ইচ্ছা করলেই যেখানে ছুটে যান সুনেরাহ্

আমি ঘুরতে খুবই পছন্দ করি। ভ্রমণের জন্য আমার সবচেয়ে প্রিয় জায়গা থাইল্যান্ড। মজার ব্যাপার হলো, এই মুহূর্তে আমি শুটিংয়ের কাজে থাইল্যান্ডেই আছি।

বেশ কয়েকটি কারণেই থাইল্যান্ড আমার এত প্রিয়। বিশেষ করে এখানকার সমুদ্রসৈকতগুলো আমাকে খুব টানে। ফি ফি আইল্যান্ড, কো সামুই—এসব জায়গা যেন আমার পুরোনো বন্ধুর মতো।

এখানকার মানুষকে আমার খুব নিরাপদ ও সহায়তাপরায়ণ মনে হয়। তাদের সংস্কৃতিও আমার ভালো লাগে। আর থাই খাবার তো আমার ভীষণ প্রিয়। সম্ভবত এ কারণেই এখানে এলেই একধরনের প্রশান্তি অনুভব করি।

প্রথমবার গিয়েছিলাম ছোটবেলায়, পরিবারের সঙ্গে। তখনই জায়গাটা খুব ভালো লেগেছিল। পরে ২০১৮ সালে প্রথমবার একা থাইল্যান্ডে যাই। তার পর থেকে যখনই একটু বিশ্রাম নিতে ইচ্ছা করে, নিজের জন্য সময় বের করতে পারি বা হাতে কয়েকটা ফাঁকা দিন থাকে, থাইল্যান্ডে চলে আসি। আর এখানকার খাবারের টান তো আছেই।

আমার সবচেয়ে স্মরণীয় স্মৃতিগুলো সমুদ্রসৈকতকে ঘিরেই। প্রথমবার একা এসে দীর্ঘ সময় সমুদ্রের পাড়ে বসে ছিলাম। সেই অনুভূতি ছিল দারুণ! অনেকক্ষণ ঢেউ দেখেছি, গান শুনেছি। ভিডিও কলে আম্মুর সঙ্গে কথা বলছিলাম। সেই মুহূর্তগুলো এখনো খুব স্পষ্ট মনে আছে। আমার কাছে থাইল্যান্ড খুব ‘হিলিং’ (নিরাময়ী) একটি জায়গা।

ওই যে ছোটবেলায় একবার গিয়েছিলাম, এরপর ২০১৮ সালে একা যাই। তারপর আরও ১০ বারের বেশি থাইল্যান্ডে যাওয়া হয়েছে।

প্রথমবার যাওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত অনেক পরিবর্তন চোখে পড়েছে। তবে সবচেয়ে ভালো লাগার বিষয় হলো, পরিবর্তনগুলো সবই ইতিবাচক।

মনে হয়, তারা প্রতিদিন নিজেদের আরও ভালো করার চেষ্টা করছে। অবকাঠামো, রাস্তা, শপিং মল, প্রযুক্তি—সব ক্ষেত্রেই উন্নতি হয়েছে। সবচেয়ে ভালো লাগে, মানুষও এসব পরিবর্তন খুব যত্ন নিয়ে ধরে রাখে। পরিচ্ছন্নতা, শৃঙ্খলা আর সহায়তার মানসিকতা—এসবই থাইল্যান্ডকে আমার কাছে বারবার ফিরে যাওয়ার একটি জায়গা করে তুলেছে।

সাক্ষাৎকার: সামির আলম