বাংলাদেশ

নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে যমুনা অভিমুখে আন্দোলনকারীরা, পুলিশের বাধা, জলকামান, সাউন্ড গ্রেনেড

February 6, 2026
2 months ago
By SAJ
নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে যমুনা অভিমুখে আন্দোলনকারীরা, পুলিশের বাধা, জলকামান, সাউন্ড গ্রেনেড

নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখী আন্দোলনকারীরা পুলিশের বাধার মুখে পড়েছেন।

আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর শাহবাগে জড়ো হন আন্দোলনরতরা। প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার দিকে যেতে চাইলে পুলিশ দফায় দফায় তাঁদের বাধা দেয়।

একপর্যায়ে পুলিশ জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে আন্দোলনরতরা প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনের দিকে এগিয়ে যান।

বেলা ১১টার পর তাঁরা সেখানে কিছুক্ষণ অবস্থান করেন। পুলিশ এ সময় জলকামান, কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে তাঁদের সরিয়ে দেয়।

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আন্দোলনকারীরা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে অবস্থান নিয়েছেন। আন্দোলনকারীদের কয়েকজনকে আহত অবস্থায় পুলিশকে নিয়ে যেতে দেখা গেছে।

সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের ব্যানারে আন্দোলনরতরা এসেছেন। হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দিয়েছে পুলিশ। ব্যারিকেডের সামনে রাস্তা আটকে বিক্ষোভ করছেন আন্দোলনরতরা। বাংলামোটর থেকে শাহবাগমুখী সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

আন্দোলনকারীরা ‘আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’, ‘অফিস না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ’, ‘অবিলম্বে পে স্কেল, দিতে হবে দিয়ে দাও,’ ‘যমুনারে যমুনা, পে স্কেল ছাড়া যাব না’ বলে স্লোগান দিচ্ছেন।

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অফিস সহকারী বোরহান উদ্দিন বলেন, ‘নবম পে স্কেলের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রজ্ঞাপন জারি করছে না সরকার। এটা আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি। আমরা জেনেছি একটি রাজনৈতিক দলের আপত্তির কারণে সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করছে না। আমরা এটা মানব না। অবিলম্বে পে স্কেল দিতে হবে।’

 শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, সকাল ১০টার পর সরকারি কর্মচারীরা শাহবাগ মোড় অবরোধ করলে আশপাশের সড়কগুলোতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তাঁদের রাস্তা থেকে সরে যেতে অনুরোধ করা হলেও শোনেননি। পরে পুলিশ ধাওয়া দিলে ও জলকামান ছুড়লে আন্দোলনকারীরা সরে গিয়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে অবস্থান নেয়।

এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে যমুনার সামনে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচি চলছে। জাতিসংঘের অধীন শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে তাঁরা সেখানে অবস্থান করছেন।