সুস্থভাবে বেড়ে উঠতে ফিজিক্যালি অ্যাকটিভ থাকতে হবে
যা–ই হোক, আমি মনে করি যে প্রতিটি ইউনিভার্সিটি, নামকরা ইউনিভার্সিটি—তাদের স্বকীয়তা আছে। যেমন অক্সফোর্ড বা কেমব্রিজ আছে যে সেখানে চিন্তার বিকাশ হবে। ইনডিপেনডেন্ট চিন্তা করতে পারবে। যেমন আমার যারা শ্রোতা বা দেখছে যারা, তাদের উদ্দেশ্যেও বলছি, যে ইনডিপেনডেন্টলি চিন্তা করতে পারে না, সে অক্সফোর্ডের জন্য সুইটেবল না। কারণ, অক্সফোর্ডের যে ডক্টর প্রোগ্রাম, ওখানে লেখাই আছে যে আইডিয়া ক্যান্ডিডেটের হতে হবে। সেটা তাকেই করতে হবে। সুপারভাইজার ইজ জাস্ট টু হেল্প, টু গাইড। তো যে নিজের থেকে করতে পারে না, তার জন্য ওটা সুইটেবল না। যা–ই হোক, আমি যেখানে কাজ করছিলাম, সেটা ওয়ার্ল্ডের লার্জেস্ট ক্লিনিক অব ইনফ্ল্যামেটরি বাওয়েল ডিজিজ, যেটাকে আলসারেটিভ কোলাইটিস বলি—ওটা ওয়ার্ল্ডের লার্জেস্ট কালেকশন ছিল। তো ওইখানে ওই বিষয়েই আমি সায়েন্টিফিক কাজ করতাম। মানে গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি ট্রেনিং তো আলাদা। সায়েন্টিফিক কাজ করতাম এবং তখন যে মেইন ওষুধ যেটা ছিল, ওই ওষুধে সেটা একটা কমপ্লেক্স মলিকিউল। সালিসিল এজো সালফাপিরিডিন। দুইটা মলিকিউলকে একটা কেমিক্যাল বন্ড...এজো বন্ড দিয়ে বাউন্ড হয়ে করা। সবাই কিন্তু তখন এই বিষয়টা নিয়ে ইন্টারেস্টেড—পৃথিবীব্যাপী। সবাই চেষ্টা করছে… ওষুধটা কীভাবে কাজ করে।
আমি আমার সুপারভাইজারকে বললাম যে সবাই, যারা এটা চিন্তা করছে, তারা মৌলিক চিন্তা করছে না। সেটা হলো কীভাবে কাজ করে, এটা বের করতে পারবে না কেউ। কারণ, ওষুধের কারণটা জানা নেই। আমি তো দেখাতে পারি, এই কেমিক্যালটা এই কাজ করে, কিন্তু ওই কাজ যে চিকিৎসার জন্য প্রযোজ্য, তা তো নয়। তা তো জানতে হবে। …আমরা তখন যে কাজ করছিলাম, তো সেখানে আমরা দেখছি, এই দুইটা মলিকিউল যে হলো, এর মধ্যে এক টক্সিসিটি প্রধানত একটা মলিকিউলের জন্য, সালফাপিরিডিন মলিকিউল। আর তাহলে বাকিটা ক্যারিয়ার। মানে ওই ডিজিজের জায়গায় নিয়ে যাওয়ার। যদি আমি বের করতে পারি কোন অংশটা ইফেকটিভ, তাহলে হয়তো অনেক বেটার ওষুধ তৈরি করা যাবে। এইটা হলো আমার হাইপোথিসিস।
হাইপোথিসিস এবং ওই সময় অনেক পেপার পাবলিশড হয়েছে। তারা দেখিয়েছে যে সালফাপিরিডিন ওর লেভেলটা… যদি আলসার করে যে অ্যাটাক হয়ে যায়… তাহলে ওই লেভেল কমে যায়। তো তারা কনক্লুড করছে যে এইটাই অ্যাকটিভ সাবস্ট্যান্স। কারণ, ওইটা কমে গেলে অ্যাটাক হয়। তখন আমি চিন্তা করলাম এবং আমার সুপারভাইজারকে বললাম যে ওরা যে চিন্তা করছে, তার এক্সাক্টলি অপজিট হতে পারে। মানে, ওর ডায়রিয়া হয়েছে বলে কমে গেছে। কমে যাওয়ার জন্য ডায়রিয়া হয়নি। চিকেন অ্যান্ড এগ সিচুয়েশন। তখন আমরা দেখলাম যে আমাদের অনেক রোগী আছে, এইটা আমরা সলভ করে ফেলতে পারব। তো এইটা হলো ক্র্যাক। তখন আমরা সলভ করলাম। আমি এত ডিটেইলস বলতে চাচ্ছি না।
এটা তো মডার্ন লাইফের মধ্যে এসে গেছে। তাই না? এখন তো মানুষে মানে আমরা যখন হান্টার গ্যাদারার ছিলাম, তখন তো ডায়াবেটিস হবে কেমন করে? নিজেরই তো খাদ্য উৎপাদন করতে হতো, ফিজিক্যালি করতে হতো। বা শিকার করে খেতে হতো। তাই না? ফিজিক্যালি ইন–অ্যাক্টিভ হলে সে বাঁচবে না। এখন এই যে মডার্ন লাইফে এসে এখন ব্রেন ব্যবহার করে টাকা দিয়ে বাজারে পাঠালে সব কিনতে পাওয়া যায়। তাই না? আমার খুব মজার গল্প বলছি। আমার সুপারভাইজারের নাতি একজন । তো ডক্টর ট্রুলাভের নাতিকে জিজ্ঞেস করলাম দুধ কোত্থেকে আসে? কয় ফ্রম দ্য সুপারমার্কেট। কারণ, ও তো আর গরুর দুধ দোহন করতে দেখেনি। তো এখন কথাটা হলো যে আমরা জানি কী করলে প্রিভেন্ট হবে। এবং আমরা প্রিভেনশন করার চেষ্টাও করছি। কিন্তু ইফেক্টিভ হচ্ছে না। তা কী বলে? ডাক্তারেরা বলে বা হেলথ ওয়ার্কাররা কী বলে? তারা বলে যে আমরা তো বলিই যে সে মানুষের কথা শোনে না। ঠিক না কথাটা? ঠিক আছে।
আপনাদের কাগজের লোক, আপনারাও তো লেখেন। কথা শোনে না তো।
এই কথাটার মধ্যে একটা ফাঁক আছে। এই যে কথা শোনে না, এটা সত্য না। সেটা হলো কী? একটা কথা আছে না যে পাগলেও নিজের ভালো বোঝে? হুম। সে শুনবে না কেন?
এখন এর পরিবর্তে অপজিট আপনি চিন্তা করেন। সিগারেট যে ক্ষতিকর, জানে না এমন কোনো অ্যাডাল্ট লোক আছে? নেই। আর সিগারেট যে প্রথম টানটা দেওয়া খুব আনপ্লেজেন্ট। যারা একবার টান দিছে, প্রথম টানটা আনপ্লেজেন্টও খুব। তাহলে একটা আনপ্লেজেন্ট টু স্টার্ট উইথ আর ক্ষতিকর আমি জানি তো সেটা সিগারেট কোম্পানি ওটা ধরায় কী করে? ওর কথা কেন শোনে? তখন আমার মাথায় এল যে ও জানে কী বললে ওর মানুষের হুকড হবে। সেটা ওরা কিন্তু এমনি বের করেনি, রিসার্চ করে, পয়সা খরচ করে বের করছে। অথচ আমরা ওই লাইনে রিসার্চ করিনি। করিনি এবং ওই লাইনে রিসার্চ করাটা খুবই ইম্পর্টেন্ট বিষয় তাহলে।