ওয়ার্ল্ড প্রেস ফটো প্রতিযোগিতায় ৪২টি ছবি বিজয়ী হয়েছে, এখানে পড়ুন তিনটি ছবির গল্প
কর্মিসংকটের কারণে জার্মানির প্রবীণ নিবাসগুলোর বাসিন্দারা এখন নিঃসঙ্গতায় ভুগছেন। সেই বাস্তবতায় মিউনিখভিত্তিক একটি স্টার্টআপ তৈরি করেছে ‘এমা’। সামাজিক এই রোবট মানুষের মুখ চিনতে পারে, মনে রাখতে পারে আগের কথোপকথন। সেই ‘এমা’র সঙ্গে কথা বলছেন প্রবীণ নিবাসের বাসিন্দা ওয়ালট্রাউড। প্রথমে যন্ত্রের সঙ্গে কথা বলতে তাঁর খানিকটা অস্বস্তিই লেগেছিল। কিন্তু এখন আর ওয়ালট্রাউডের সেই অস্বস্তি নেই।
মেরু ভালুক সাধারণত সিল শিকার করেই বেঁচে থাকে। কিন্তু গ্রীষ্মে বরফ গলে যাওয়ায় শিকার ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। ফলে তারা এখন মৃত প্রাণীর দেহ থেকেও খাদ্য সংগ্রহ করছে। নরওয়ের দ্বীপপুঞ্জ সালবার্দের উত্তরের মেরু বরফে ভাসমান এলাকায় একটি স্পার্ম হোয়েলের মৃতদেহ খাচ্ছে একটি স্ত্রী মেরু ভালুক। অন্যদিকে স্পার্ম হোয়েল সাধারণত বরফাচ্ছন্ন মেরু অঞ্চলে আসে না। তাই এই মৃতদেহের উপস্থিতি ছিল অত্যন্ত বিরল এক দৃশ্য।
মরক্কোর ঐতিহ্যবাহী খেলা তেবুরিদা ইউনেসকোর স্বীকৃতিও পেয়েছে। ষোড়শ শতাব্দী থেকে হয়ে আসা এই আয়োজনে দলবদ্ধ অশ্বারোহীরা সমানতালে ঘোড়া ছোটাতে ছোটাতে একসঙ্গে গুলি ছুড়ে উপস্থাপন করেন যুদ্ধকৌশল। এই খেলায় নারীদের অংশগ্রহণ ছিল নিষিদ্ধ। তবে ২০০৪ সালে মরক্কোর পারিবারিক আইন সংস্কারের পর ধীরে ধীরে এই ময়দানে প্রবেশের অধিকার চেয়ে লড়াই শুরু করেন নারীরা। ঘিতা ঝিয়াতেও ছোটবেলা থেকে বাবার মুখে শুনে এসেছেন—তেবুরিদা খেলা যাবে না। কিন্তু সব নিষেধ উপেক্ষা করে ২০২৫ সালে স্বপ্ন পূরণ করেন। দেশটির পথিকৃৎ নারী অশ্বারোহী জাহিয়া আবুলাইতের সঙ্গেও এই খেলায় অংশ নিয়েছেন। আজ নিজেই হয়ে উঠেছেন সেই লড়াইয়ের প্রতীক।