বেকিং সোডা ব্যবহার করে ফ্রিজের দুর্গন্ধ দূর করবেন যেভাবে
ফ্রিজের বাজে গন্ধ মূলত তৈরি হয় খাবার পচে গিয়ে বা ব্যাকটেরিয়ার কারণে। এসব খাবার থেকে বাতাসে এমন কিছু অণু ছড়ায়, যেসব টক বা ক্ষারধর্মী।
বেকিং সোডা (সোডিয়াম বাইকার্বনেট) এই দুই ধরনের গন্ধই নিরপেক্ষ করে ফেলতে পারে। অর্থাৎ গন্ধটাকে সাময়িকভাবে চেপে রাখে না, বরং গন্ধের উৎসটাই দুর্বল করে দেয়।
তবে একটা বিষয় মনে রাখতে হবে, বেকিং সোডা গন্ধ শোষণ করার সময় কিছু খাদ্যকণাও নিজের মধ্যে টেনে নেয়। তাই ফ্রিজে রাখা বেকিং সোডা রান্নায় ব্যবহার করা ঠিক নয়।
নতুন বেকিং সোডার প্যাকেট খুলে রাখুন।
প্যাকেটের ছিদ্র বা খোলা দিক যেন বাইরের দিকে থাকে, যাতে বাতাস চলাচল করতে পারে।
জার বা কৌটার পেছনে গুঁজে রাখবেন না।
সবচেয়ে ভালো হয়, ৩০ থেকে ৯০ দিন পরপর বদলে ফেললে।
প্যাকেটে তারিখ লিখে রাখলে মনে রাখতে সুবিধা হয়।
ফ্রিজের যেকোনো জায়গায় রাখলেও কাজ হবে, তবে মাছ, পেঁয়াজ বা ঝাঁঝালো খাবারের কাছাকাছি রাখলে বেশি উপকার পাওয়া যায়।
বড় ফ্রিজ হলে একাধিক শেলফে ছোট বাটি বা খোলা প্যাকেট রাখা যেতে পারে।
সবজি রাখার ড্রয়ারের নিচে একটু বেকিং সোডা ছিটিয়ে তার ওপর টিস্যু পেপার দিলেও গন্ধ কমে।
পরিমাণের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো খোলা জায়গা।
এক কাপ বেকিং সোডা চওড়া বাটিতে বা প্লেটে ছড়িয়ে রাখলে গন্ধ শোষণের ক্ষমতা বাড়ে।
জায়গা কম হলে বড় মুখওয়ালা খোলা প্যাকেটই যথেষ্ট।
না। আগে ফ্রিজ পরিষ্কার করা জরুরি।
বেকিং সোডা গন্ধ কমায়, কিন্তু পচা খাবার বা লিক হওয়া তরল পরিষ্কার না করলে পুরো কাজ হবে না।
হ্যাঁ। ফ্রিজারের ভেতরেও বেকিং সোডা রাখা যায়।
এতে বরফ বা জমে থাকা খাবারে অদ্ভুত গন্ধ ধরবে না।
কফির গুঁড়া: হালকা গন্ধ কমায়, তবে ফ্রিজে কফির গন্ধ থেকে যায়।
সাদা ভিনেগার: গন্ধ শোষণ করে, কিন্তু কয়েক দিন পর বদলাতে হয়।
অ্যাকটিভেটেড চারকোল: বেশ কার্যকর, তবে সহজে হাতের নাগালে পাবেন না।
ফ্রিজের গন্ধ দূর করতে আলাদা কোনো কেমিক্যাল দরকার নেই। রান্নাঘরের এই সাধারণ উপাদানটাই যথেষ্ট। শুধু ঠিকভাবে ব্যবহার করলেই হলো।
সূত্র: রিডার্স ডাইজেস্ট