ট্রেন্ডে হট-টেক ডেটিং, বিষয়টা কী
এই ট্রেন্ডে মানুষ প্রথম দেখায় ছোটখাটো বা আনুষ্ঠানিক কথাবার্তা এড়িয়ে সরাসরি গুরুত্বপূর্ণ, গভীর ও কখনো বিতর্কিত বিষয় নিয়ে কথা বলে।
যেমন ব্যক্তিগত ভয়, জীবনের লক্ষ্য, রাজনৈতিক বা সামাজিক মতামত, দুর্বলতা, সম্পর্কে কোন বিষয়টিতে তিনি মোটেই ছাড় দিতে পারবেন না, সম্পর্কে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রাধান্য কী বা সম্পর্কের সীমা ইত্যাদি।
এর উদ্দেশ্য একটাই, শুরুতেই বোঝা যে অপরপক্ষের সঙ্গে তাঁর সত্যিই বোঝাপড়া হবে কি না। বা সম্পর্কটাকে এগিয়ে নেওয়া যাবে কি না, সম্পর্কের ভবিষ্যৎ আছে কি না।
মানুষ এখন যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি ব্যস্ত। সময় নিয়ে সম্পর্ক তৈরি করা সময়ের বাস্তবতায় অনেকটাই চ্যালেঞ্জিং। ভুল সম্পর্ক তৈরিতে মানুষ এখন আর সময় নষ্ট করতে চায় না।
আগে মানুষ মাসের পর মাস সময় দিত, তারপর বুঝত যে দুজনের মিলবে না। এখন তাঁরা শুরুতে নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ আর স্পর্শকাতর সত্যগুলো জানাতে চান। অন্যেরটাও জানতে চান।
তরুণেরা এখন অল্প সময়ে সত্যিকারের সম্পর্কের খোঁজ করছেন। অনেকে সম্পর্কে এখন আর ‘পারফেক্ট ইমেজ’ দেখাতে চান না। তাঁরা চান বাস্তব, খোলামেলা আর সৎ সম্পর্ক।
ফলে বারবার ভুল সম্পর্কে জড়ানো ও সেখান থেকে বের হয়ে আসার জটিল, ক্লান্তিকর পথে হাঁটতে হচ্ছে না। সম্পর্কে জড়াতে চাওয়া মানুষেরা সম্পর্কের মানসিক ক্লান্তি বা ডেটিং বার্নআউট থেকে মুক্তি পাচ্ছেন।
ব্রিটিশ লেখক ও ডেটিং কোচ ম্যাথিউ হাসি ডেটিংয়ের এই ট্রেন্ডকে ইতিবাচকভাবে দেখান। তবে তিনি দু-একটা ঝুঁকির কথাও জানিয়েছেন।
হট-টেক ডেটিংয়ের বিষয়ে কিছু পরামর্শও দিয়েছেন সম্পর্কবিষয়ক এই কোচ—
আগেই জানিয়ে নিন, কী বিষয়ে কথা বলতে চান। তাহলে অপরপক্ষ মানসিক প্রস্তুতি রাখবেন।
নিজের মতামত বলুন, তবে সম্মান রেখে। ওই বিষয়ে অপর পক্ষের মতামত, দৃষ্টিভঙ্গি জানতে চান।
নিজের মতামত চাপিয়ে দেবেন না। আলোচনার পরিবেশ রাখুন। অন্যের কথা শুনুন।
‘ডেট’ যেন ‘ডিবেট’ না হয়ে যায়, সেদিকে খেয়াল রাখুন।
সূত্র: দ্য এভরিগার্ল