জীবনযাপন

প্যারেন্টিংয়ের নামে ওভারপ্যারেন্টিং করছেন না তো? মিলিয়ে নিন

February 3, 2026
2 months ago
By SAJ
প্যারেন্টিংয়ের নামে ওভারপ্যারেন্টিং করছেন না তো? মিলিয়ে নিন

কী পড়বে, কী খেলবে, কার সঙ্গে মিশবে—সব আপনি ঠিক করে দিলে সন্তান নিজের পছন্দ-অপছন্দ বোঝার সুযোগ পাবে না। বড় হয়েও সিদ্ধান্তহীনতা আর আত্মবিশ্বাসহীনতায় ভুগবে। ভালো-মন্দ নানা দিক বিশ্লেষণের ক্ষমতা কমে যাবে।

ভুলের মাধ্যমেই শিশু শেখে। প্রতিবার বাঁচিয়ে দিলে শেখার সেই প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়।

সব সময় ফোন করা, খোঁজ নেওয়া বা পর্যবেক্ষণ করা সন্তানের মধ্যে নজরদারি থেকে পালানোর ঝোঁক তৈরি করতে পারে। তাতে আপনার আর সন্তানের ভেতর দূরত্ব তৈরি হবে। আর তখন সে যখনই চোখের আড়াল হবে বা সুযোগ পাবে, এমন কিছু করার চেষ্টা করবে, যা আপনি মোটেও করতে দিতে চান না বা যা আপনার থেকে লুকানো আবশ্যক।

বন্ধু, শিক্ষক বা পরিস্থিতির সঙ্গে সামান্য সমস্যাতেই আপনি এগিয়ে গেলে সন্তান নিজে মোকাবিলা করতে শেখে না। পরবর্তী জীবনে জটিল সমস্যা ডেকে আনে।

সন্তানের মনোবল ভেঙে দেয়। আর তার ভেতর হীনম্মন্যতা তৈরি করে।

বয়স অনুযায়ী দায়িত্ব না পেলে আত্মনির্ভরতা গড়ে ওঠে না।

জীবন ঝুঁকিমুক্ত নয়। নিরাপদ ঝুঁকি নিতে না শেখালে সন্তান ভবিষ্যতে ভয় পেতে শেখে। সব ঝুঁকি থেকে দূরে রাখার চেষ্টা সন্তানের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

আপনার ব্যক্তিগত ভয় বা বিশ্বাস যেন সন্তানের সিদ্ধান্ত ও স্বপ্ন নিয়ন্ত্রণ না করে।

আপনি সব পারেন, সব উত্তর আপনার কাছেই আছে, আপনিই ভালো বোঝেন—এই ধারণায় সন্তানের কণ্ঠস্বর, আত্মবিশ্বাস চাপা পড়ে যায়।

স্বাধীনতা মানেই দূরে সরে যাওয়া নয়, বরং আস্থা আর বিশ্বাসের জায়গা তৈরি করা। সন্তানকে একটু একটু করে নিজের ওপর ভর করতে, আত্মনির্ভরশীল হতে শেখানোই স্বাধীনতা।

সূত্র: প্যারেন্টস